ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় জেনে নিন

            ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায়

প্রিয় পাঠক, আজ আমরা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে জানব। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে আমাদের পোষ্টটি সম্পূর্ন পড়ুন।

ভূমিকা

 আমরা সবাই উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক চাই। কিন্তু হরমোন, দূষণ, কাজের চাপ, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনসহ নানা কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির খাবার

১. লেবু জাতীয় ফল
শরীরের সতেজতা ফিরিয়ে আনতে এক গ্লাস ফ্রেশ লেবুর শরবত কে না পছন্দ করে? কিন্তু এটি শুধুমাত্র পানীয় না, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কিন্তু অনেক। লেবু, কমলা, মোসাম্বি, জাম্বুরা, মাল্টা এগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে দারুন কার্যকরী। কারণ এতে আছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিনস, যা স্কিনকে হাইড্রেটেট রাখে আর ন্যাচারালি স্কিনটোন ব্রাইট করতে হেল্প করে। মেলানিন কমিয়ে স্কিনকে উজ্জ্বল করে তুলতে লেবু জাতীয় ফল বেশ ভালো কাজ করে। হজমের সমস্যা থেকেও স্কিনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরতে পারে। লেমন ওয়াটার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ ও সচল রাখতে সাহায্য করে। তাই রেগুলার ডায়েটে রাখুন লেবু বা লেবু জাতীয় ফল।
২. শসা: 
আচ্ছা, আমরা যখন ত্বকের যত্নে শসার কথা কল্পনা করি, নিশ্চয়ই আমাদের চোখের সামনে এই ছবিটা ভেসে উঠে, একজন চোখের উপর শসার স্লাইস আর মুখে ফেইসপ্যাক লাগিয়ে বসে আছে! তাই না? ফেইসপ্যাকে শসা ব্যবহার কেন করা হয়, জানেন কি? এতে আছে কুলিং ইফেক্ট, যা ত্বকে এনে দেয় প্রশান্তি। শুধুমাত্র ফেইসপ্যাকে নয়, রেগুলার শসা খেলে আপনি অনেক উপকার পাবেন। শসাতে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি আর ভিটামিন কে। আর এই উপাদানগুলো আপনার স্কিনকে রাখে হেলদি্ আর গ্লোয়িং। আরও উপকারিতা আছে, বয়সের ছাপ বা বলিরেখা কমাতে ও স্কিনকে হাইড্রেটেড রাখতে দারুন কার্যকরী এই উপাদানটি।
৩. দুধ
দুধে আছে ল্যাকটিক এসিড, যেটা স্কিনকে ফেয়ার করতে হেল্প করে। আর প্রোটিন ত্বকের কোলাজেন বুস্ট করতে দরকারি ভূমিকা রাখে। রেগুলার ২ কাপ করে দুধ পান করলে ত্বকে অকালে বয়সের ছাপ পরা রোধ হয়। সেই সাথে ত্বকে আসে হেলদি গ্লো। দুধকে বলা হয় আদর্শ খাদ্য, কেননা এতে সব ধরনের খাদ্যগুণ আছে। দরকারি মিনারেলস আর পুষ্টি উপাদান সবই পেয়ে যাবেন দুধ থেকে। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে রেগুলার ডায়েটে রাখুন দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার।
৪. পালং শাক
এমন একটি সবুজ সবজি এটি, যার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। এতে আছে lutein এবং zeaxanthin, এগুলো স্কিনের জন্য খুবই বেনিফিসিয়াল। পালং শাকে আরো আছে ভিটামিন এ, ই, কে- যা স্কিনকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো স্কিনের তারুণ্যও বজায় রাখে, সেই সাথে বার্ধক্যের ছাপ পরার প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করে।
৫. আপেল
প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে আপেলের মত গালও টসটসে হবে! এমন কথা আমরা অনেকেই শুনেছি, তাই না? আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, এ, সি আর অন্যান্য দরকারি নিউট্রিয়েন্ট। আর আমরা তো আগেই বলেছি এসব ভিটামিন স্কিনকে সুরক্ষিত রাখে এবং উজ্জ্বলও করে তোলে। আনইভেন স্কিনটোন রিপেয়ারে, হেলদি গ্লো ধরে রাখতে এবং ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত দেখাতে এই ফলটি দারুন কাজ করে।

ত্বকের লাবণ্য বৃদ্ধির উপায়

মসুর ডাল
মসুর ডাল ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। মসুর ডাল বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভেজা মসুর ডাল বেটে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। মুখে ডাল দিয়ে কথা না বলাই ভালো, মুখে ডাল শুকিয়ে যাওয়ার পর কথা বললে মুখের চামড়ায় চাপ লাগতে পারে।
মধু 
মধু এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, ত্বক নরম রাখে, বলিরেখা ও কালচে ভাব দূর করে। এ ছাড়া ব্রণের জীবাণুও ধ্বংস করতে মধু বেশ কার্যকর। খুব কম সময়েই উজ্জ্বল ত্বক পেতে চাইলে মধুর কোনো বিকল্প নেই। মধু সরাসরি মুখে লাগাতে পারেন, কিন্তু বেশী ফলাফল পেতে হলে মধুর সাথে দুধ, দই, কলা, পেঁপে, লেবুর রস এসবের যে কোন কিছু মিশিয়ে লাগাতে পারেন।
কলা
অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল করতে কলার কোনও বিকল্প নেই। তার সাথে যদি দুধকে কাজে লাগানো হয়, তাহলে তো কথাই নেই। একটা কলাকে চটকে নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন পেস্টটা যেন একেবারে মিহি হয়ে যায়। তাহলে অনেক ভাল কাজ দেবে।
শসা
শসা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে অনেক ভালো কাজ করে। তিন টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। কাচের মুখবন্ধ বয়ামে মিশ্রণটি সংরক্ষণ করুন। দিনে কয়েকবার এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ মুছে নিন। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে ও ত্বককে কোমল রাখবে।

ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করার উপায়

প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো, দিনে অন্তত দুবার ভালো করে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে হবে। সকালে একবার আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর আপনার প্রসাধন মাখুন। আর রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মুখ ধুতে হবে। এতে সারা দিনের ময়লা ত্বক থেকে দূর হবে। নিয়মিত এটা করলে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।

প্রতিদিন দুবার মুখ ধোয়া যদি প্রথম পদক্ষেপ হয়, তবে দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো, আপনি যে প্রসাধন ব্যবহার করবেন, তাতে যেন ক্ষতিকর উপাদান না থাকে। প্রসাধন কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করতে হবে। ক্লিনজার ও টোনার কেনার আগে সতর্ক হতে হবে। তাহলে ত্বকের লালচে ভাব বা অ্যালার্জির ভয় থাকবে না।
সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে ঘুমানোর বিকল্প নেই। আপনি যখন ঘুমিয়ে থাকেন, তখন শরীরের হাইড্রেশনে পুনর্ভারসাম্য আসে এবং ত্বকে ময়েশ্চার যুক্ত হয়। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চার ত্বককে মসৃণ করে এবং বলিরেখা দূর করে। ঘুমের অভাবে ত্বকে ক্লান্তভাব আসে, কালো দাগ বাড়ে, চোখের নিচে কালচে ভাব আসে; মাঝেমধ্যে ব্রণও হয়। তাই পর্যাপ্ত ঘুমাতে ভুলবেন না।

অস্বাস্থ্যকর খাবার আর বিশৃঙ্খল জীবনযাপনের প্রভাব আমাদের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যের ওপর পড়ে। অসময়ে খাওয়া, তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে শস্যজাতীয় খাবার, বাদাম, প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ-মাংস ও সবুজ শাকসবজি খান, যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখবে।
প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর হয়ে যাবে। প্রচুর পানি পান ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং শরীরের অভ্যন্তরকে সুস্থ রাখে, যা প্রতিফলিত হয় বহিরাঙ্গেও। তো, পানি খেতে ভুলবেন না।

স্থায়ীভাবে ত্বক ফর্সা করার উপায়

1. লেবুর রস,মধু আর দুধের ফেসপ্যাক

উপকরন
  • ১ টেবিল চামচ দুধ
  • ১ চা চামচ মধু
  • ১ চা চামচ লেবুর রস
ব্যবহারবিধি:

এক টেবিল চামচ দুধ, এক চা চামচ মধু এবং এক টেবিল চামচ লেবুর রস একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর আপনার পরিষ্কার মুখের উপর মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন। মিশ্রণটি আপনার মুখে শুকানোর জন্য প্রায় ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। ফেসপ্যাকটি শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর ভালো করে মুখ মুছে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

ফেসপ্যাকটি ব্যবহারের উপকারিতা:লেবুর রসে বিদ্যমান প্রাকৃতিক ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য ত্বক সাদা করতে অন্যতম ঘরোয়া উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। লেবুর রস-মিশ্রিত ফেসপ্যাক আপনার ত্বকের কালো শেডকে কয়েক শেড হালকা করে তুলবে। ত্বককে উজ্জ্বল করা কিংবা ত্বকে কালো দাগের উপস্থিতি কমানো বা ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমানোর জন্য লেবুর রস আপনার ত্বকের জন্য অতুলনীয়। মধুও আপনার ত্বকের সমস্যা দূরীকরণে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি দাগ এবং পিগমেন্টেশনকে কমাতে সাহায্য করে। তাই এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার ফলে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে ফর্সা ও স্বাস্থ্যকর।
2. টক দইয়ের ফেসপ্যাক

উপকরণ
  • ২ চা চামচ টকদই
  • ১ চা চামচ মধু
ব্যবহারবিধি:

একটি বাটিতে দুই চা চামচ টকদই এক চা চামচ মধুর সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। উপাদানগুলিকে ভালভাবে মিশ্রিত করুন যাতে করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি হয়। তারপর মিশ্রণটি আপনার মুখে ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। তারপর শুকানোর জন্য ১৫ মিনিট রেখে দিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে আপনার মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসপ্যাকটি ব্যবহারের উপকারিতা:দই হল ত্বককে ফর্সা করার অন্যতম সেরা উপাদান। দইয়ে বিদ্যমান ল্যাকটিক অ্যাসিড যা ত্বকের কালো বর্ণকে হালকা করতে ও বার্ধক্যের লক্ষণগুলিকে দূরীকরণে কাজ করে। এর পাশাপাশি দই আপনার মুখের কালো দাগগুলিকে হালকা করতে সহায়তা করে। দইয়ে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা আপনার ত্বককে আরও উজ্জ্বল এবং লাবণ্যময় করে তুলতে সাহায্য করে।
 3.চালের গুঁড়া ও দুধের ফেসপ্যাক

উপকরণ
  • আধা কাপ চালের গুঁড়া
  • ৩-৪ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ
ব্যবহারবিধি:
প্রথমে আধা কাপ চাল পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে তারপর চাল পিষে গুঁড়া করে নিন। তারপর চালের গুঁড়তে
৩-৪ টেবিল চামচ দুধ যোগ করে একটি পেস্ট তৈরী করে নিন। তারপর পেস্টটি আপনার সারা মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। তারপর শুকানোর জন্য কমপক্ষে আধা ঘন্টা রেখে দিন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। তারপর ভালো করে মুখ মুছে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
ফেসপ্যাকটি ব্যবহারের উপকারিতা:
চালের গুঁড়া হলো এমন একটি উপাদান তা যা ত্বককে ঝকঝকে, নরম, ফর্সা এবং স্বাস্থ্যকর করতে সাহায্য করে। চালের আটাও কাচাঁদুধ মিশ্রিত এই ফেসপ্যাকটি আপনার ত্বককে উজ্জ্বল এবং টানটান করে তুলতে দুর্দান্ত কাজ করবে। চালের গুঁড়া একদিকে যেমন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে ত্বকের বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণ দূরীকরণে কাজ করে তেমনি অন্যদিকে দুধ ত্বককে পুষ্ট ও স্বাস্থ্যকর করতে কাজ করে। চালের গুঁড়া ও কাঁচা দুধের ফেসপ্যাকটি এমন একটি পাওয়ার-প্যাক যা আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করার পাশাপাশি ত্বকে তারুণ্যের আভা এনে দিতে সক্ষম।

4.পেঁপে ও মধুর ফেসপ্যাক

উপকরণ:
  • আধা কাপ পাকা পেঁপে
  • ১ চা চামচ মধু
ব্যবহারবিধি:
প্রথমে আধা কাপ পাকা পেঁপের টুকরো নিন তারপর তা হাত দিয়ে পিষে কিংবা ব্লেন্ড করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরী করে নিন। এরপর পেস্টটিতে এক চা চামচ মধু যোগ করুন এবং ভালভাবে মিশিয়ে নিন। মেশানো হয়ে গেলে ফেসপ্যাকটি আপনার মুখে লাগিয়ে নিন। শুকানোর জন্য প্রায় ২০ মিনিট মুখে রেখে দিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে নিন।
ফেসপ্যাকটি ব্যবহারের উপকারিতা:
পেঁপে হলো ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপকরণগুলোর একটি। পেঁপেতে রয়েছে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ও পেপেইনের মতো এনজাইম যা আপনার ত্বকের মৃত কোষ ও ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। যার ফলে ত্বক হয়ে উঠে উজ্জ্বল ও ফর্সা। পেপেইন ত্বককে সাদা করার এনজাইম হিসেবে কাজ করে তাছাড়া এতে মধু যোগ করার কারনে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে ফর্সা, নিখুঁত ও লাবণ্যময়।

শেষ কথা

আমদের ত্বক সুন্দর ও ভালো রাখতে হলে ত্বকের যত্ন নিতে হবে । সমস্ত ব্যবহারবিধি মেনে চলতে হবে ।তবেই ত্বক হবে সুন্দর।

Comments